33bmn-এ নিয়মিত খেললে পয়েন্ট জমে, পয়েন্ট বাড়লে টায়ার ওঠে, আর টায়ার উঠলে সুবিধা বাড়ে। এটাই 33bmn ভিআইপির সহজ নিয়ম – যত বেশি অংশগ্রহণ, তত বেশি পুরস্কার।
প্রতিটি বেট থেকে পয়েন্ট জমে। পয়েন্ট বাড়লে টায়ার বাড়ে এবং প্রতিটি নতুন টায়ারে নতুন সুবিধা খুলে যায়।
প্রতিটি বেট এবং গেম থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পয়েন্ট যোগ হয়। নিচের ট্র্যাকারটি দেখায় একজন সাধারণ সদস্য কীভাবে ব্রোঞ্জ থেকে ডায়মন্ডে পৌঁছান।
উদাহরণমূলক প্রদর্শন। আসল পয়েন্ট দেখতে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
প্রতিটি টায়ারে সুবিধার পরিমাণ বাড়ে, কিন্তু মূল সুবিধাগুলো সব সদস্যের জন্য।
বাংলাদেশে অনেক অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মে ভিআইপি প্রোগ্রাম থাকে, কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সেগুলো পেতে অনেক জটিল প্রক্রিয়া পার করতে হয় অথবা সুবিধাগুলো তেমন বাস্তবসম্মত হয় না। 33bmn-এর ভিআইপি প্রোগ্রামটি এই দিক থেকে আলাদা। এখানে সুবিধা পাওয়ার প্রক্রিয়াটা স্বচ্ছ – প্রতিটি বেট থেকে পয়েন্ট আসে, পয়েন্ট দিয়ে টায়ার বাড়ে, টায়ার বাড়লে সুবিধা বাড়ে। এর বাইরে কোনো লুকানো শর্ত নেই।
রংগামাটির একজন সদস্য থেকে ঢাকার পেশাদার বেটার – 33bmn ভিআইপি প্রোগ্রাম সবার জন্য। ব্রোঞ্জ টায়ার স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাওয়া যায় নিবন্ধনের পরই, তাই শুরু করার কোনো আলাদা প্রক্রিয়া নেই। নিয়মিত খেলতে থাকলে টায়ার এমনিতেই এগিয়ে যায়।
33bmn ভিআইপির সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক সুবিধাটি সদস্যদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচিত। প্রতি সোমবার আগের সপ্তাহের নেট লসের উপর নির্দিষ্ট শতাংশ ক্যাশব্যাক সরাসরি অ্যাকাউন্টে জমা হয়। কোনো কোড লাগে না, আবেদন করতে হয় না – সব স্বয়ংক্রিয়।
ধরুন এক সপ্তাহে আপনার মোট লস ৳৫,০০০ এবং আপনি গোল্ড টায়ারে আছেন। তাহলে ২০% ক্যাশব্যাক হিসেবে ৳১,০০০ ফেরত পাবেন। এটা কোনো ক্রেডিট না, সরাসরি ক্যাশ – bKash বা Nagad-এ তুলতে পারবেন। ডায়মন্ড টায়ারে একই পরিস্থিতিতে ক্যাশব্যাক হবে ৳১,৫০০।
33bmn-এর গোল্ড ও ডায়মন্ড সদস্যরা একজন ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ম্যানেজারের সেবা পান। এই ম্যানেজার বাংলায় কথা বলেন এবং আপনার নির্দিষ্ট সমস্যা বা অনুরোধ সরাসরি সামলান। সাধারণ লাইভ চ্যাটে যেখানে অনেক সময় অপেক্ষা করতে হয়, সেখানে ডেডিকেটেড ম্যানেজারের ক্ষেত্রে সেই সমস্যা নেই।
বরিশাল বা সুন্দরবন এলাকা থেকেও যদি কোনো গোল্ড সদস্য বড় উইথড্রয়াল করতে চান বা কোনো বোনাস নিয়ে প্রশ্ন থাকে, তাহলে সরাসরি তার ম্যানেজারকে মেসেজ দিলেই কাজ হয়। এই সেবাটি অনেক সদস্যের কাছেই গোল্ড টায়ারে আসার সবচেয়ে বড় কারণ।
33bmn বাংলাদেশের উৎসবগুলোকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেয়। ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহায় ভিআইপি সদস্যরা অতিরিক্ত বোনাস পান। পহেলা বৈশাখে ডাবল পয়েন্ট ইভেন্ট চলে এবং বিজয় দিবসে বিশেষ ক্যাশব্যাক অফার আসে। এই উৎসব অফারগুলো ভিআইপি সদস্যদের জন্য আলাদাভাবে তৈরি – সাধারণ সদস্যদের অফারের চেয়ে পরিমাণে বেশি।
ডায়মন্ড সদস্যরা এই উৎসব অফারগুলো সবার আগে পান। কখনো কখনো বিশেষ ইভেন্টের ৪৮ ঘণ্টা আগেই তাদের কাছে নোটিফিকেশন পৌঁছায় এবং আগাম বোনাস যোগ হয়।
33bmn প্রতি মাসে ভিআইপি সদস্যদের জন্য আলাদা টুর্নামেন্ট আয়োজন করে। এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা কম হওয়ায় জেতার সম্ভাবনা বেশি। গোল্ড টায়ার টুর্নামেন্টে মোট প্রাইজপুল সাধারণত ৳১০ লক্ষ এবং ডায়মন্ড টুর্নামেন্টে আরও বেশি।
ক্রিকেট মৌসুমে বিশেষ বেটিং টুর্নামেন্ট আয়োজিত হয় যেখানে টপ বেটারদের পুরস্কার দেওয়া হয়। এই টুর্নামেন্টগুলো সাধারণ সদস্যদের জন্য উন্মুক্ত নয়, শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ভিআইপি টায়ারের সদস্যরা অংশ নিতে পারেন। এটি ভিআইপি মেম্বারশিপকে আরও মূল্যবান করে তোলে।
33bmn-এ ভিআইপি টায়ার বজায় রাখতে প্রতি তিন মাসে ন্যূনতম কার্যক্রম প্রয়োজন। টায়ার একবার অর্জন করলে তিন মাস স্বয়ংক্রিয়ভাবে বজায় থাকে। এই সময়ের মধ্যে পর্যাপ্ত পয়েন্ট না জমলে টায়ার একধাপ নামতে পারে।
তবে এই নিয়মটি খুব কঠিন না। যিনি নিয়মিত – সপ্তাহে দু-তিনবার – 33bmn ব্যবহার করেন তার টায়ার ধরে রাখতে সমস্যা হওয়ার কথা না। ডায়মন্ড সদস্যদের জন্য এই মেয়াদ একটু বেশি নমনীয় কারণ তারা সাধারণত সক্রিয় ব্যবহারকারী।
লাইভ বেটিংয়ে ডাবল পয়েন্ট পাওয়া যায় বলে লাইভ ম্যাচে বেট করলে পয়েন্ট দ্রুত জমে। এছাড়া ডেইলি লগইন মিস না করলে প্রতি সপ্তাহে বোনাস ২০ পয়েন্ট আসে। উৎসব মৌসুমে ডাবল পয়েন্ট ইভেন্টে বেশি বেট করলে 33bmn ভিআইপি টায়ার অনেক দ্রুত বাড়ে।
ভিআইপি প্রোগ্রামের সুবিধা নেওয়ার সময়ও দায়িত্বশীল বেটিংয়ের নিয়ম মেনে চলা জরুরি। উচ্চ টায়ারের সুবিধা পেতে অতিরিক্ত বেট করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। নিজের বাজেটের মধ্যে খেলুন এবং বিনোদন হিসেবে উপভোগ করুন। বিস্তারিত জানতে দায়িত্বশীল খেলা পেজ দেখুন।
ভিআইপি টায়ার অর্জনের চেষ্টায় নিজের বাজেটের বাইরে বেট করবেন না। ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য নিষিদ্ধ। আরও জানুন।
গোল্ড টায়ারে আসার পর অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার পেয়েছি। একবার বড় জয়ের পর উইথড্রয়ালে সমস্যা হয়েছিল – ম্যানেজারকে মেসেজ দিলাম, এক ঘণ্টার মধ্যে সমাধান। 33bmn-এ গোল্ড থাকাটা সত্যিই আলাদা অনুভূতি।
প্রতি সপ্তাহে ক্যাশব্যাক পাওয়া যায় কোনো ঝামেলা ছাড়াই। সোমবার সকালে উঠে দেখি ব্যালেন্সে টাকা এসে গেছে। এটাই 33bmn ভিআইপির সবচেয়ে ভালো দিক – কিছু করতে হয় না, এমনিতেই পায়।
ডায়মন্ড টায়ারে আসার পর উইথড্রয়াল অনেক দ্রুত হয়। আগে কয়েক ঘণ্টা লাগত, এখন ৩০-৪৫ মিনিটেই টাকা পেয়ে যাই। বড় উইথড্রয়ালেও কোনো ঝামেলা হয় না।